Posts

যেভাবে জেনেটিক কোড আবিষ্কার হলো। How Genetic Code was Invented

যেভাবে জেনেটিক কোড আবিষ্কার হলো। How Genetic Code was Invented আমাদের সবাই জীববিজ্ঞানে উচ্চতর শিক্ষা না নিলেও ‘জীন’ শব্দটার সাথে আমাদের জেনারেশন কমবেশি পরিচিত। ‘জেনেটিক কোডের মাধ্যমেই জীবদেহের সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয়’-এরকম ধারণাও সবাই কমবেশি রাখেন। তবে জেনেটিক কোড কি এবং এটা কিভাবে কাজ করে, এটা সবার কাছে পরিষ্কার নয়, এবং পরিষ্কার হবার কথাও নয়। আমার উদ্দেশ্য জেনেটিক কোড কিভাবে কাজ করে সেটা ব্যাখ্যা করা, এবং এর সাথে এই কোড আবিষ্কারের ইতিহাস ব্যাখ্যা করা। জেনেটিক কোডের ধারণাটা মোটামুটি জটিল। জটিল হবার কারণ হলো, এই কোডের ধারণা বোঝার আগে অনুপ্রাণ বিজ্ঞানের (মলিকুলার বায়োলজি) আরও কিছু মৌলিক ধারণা রাখতে হয়। তবে পদার্থবিদ ফাইনম্যান একটা কথা বলেছিলেন, ‘তুমি যদি বিজ্ঞানের একটা ধারণা অন্য কাউকে সহজে বোঝাতে না পার, ধরে নাও তুমি নিজেও সেটা বোঝোনি’। সঠিকভাবে জেনেটিক কোডের কার্যরীতি এবং ( ল্যাব এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে ) এর আবিষ্কারের ইতিহাস ব্যাখ্যা করা আমার নিজের ধারণার স্বচ্ছতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। ফাইনম্যানের উক্তিটি মাথায় রেখেই আমি চ্যালেঞ্জটি নিচ্ছি। যদিও ধারণা অনেক বেশি সংক্ষেপিত, সরলীকৃত, এ...

ফেসবুক কিভাবে আবিষ্কার হয়? How Facebook was Invented.

ফেসবুক কিভাবে আবিষ্কার হয়? ফেসবুক (ইংরেজি: Facebook) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা...

‘এসইও শিখুন’।।। সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবং বিং ওয়েব মাস্টার। SEO...

এসইও শিখুন: পর্ব ৩ ‘এসইও শিখুন’ নামে ধারাবাহিকের আজ তৃতীয় পর্বে থাকছে সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবং বিং ওয়েব মাস্টার গাইডলাইনের বিভিন্ন নীতিমালা এবং ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে কীভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে, সেসব বিষয়। এ বিষয়গুলো অনুসরণ করে আপনার ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনবান্ধব এবং সার্চ ইঞ্জিনের শাস্তি (পেনাল্টি) থেকে রক্ষা করতে পারবেন। গুগল ওয়েব মাস্টার গাইডলাইন মূলনীতি বা বেসিক প্রিন্সিপালস: ওয়েব পেজ তৈরি করুন ব্যবহারকারী বা ইউজারের জন্য, সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়। ব্যবহারকারীর সঙ্গে কখনো প্রতারণা করবেন না। সার্চ ইঞ্জিন গাইডলাইন ভঙ্গ করে বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম ‍পদ্ধতি অনুসরণ করে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাঙ্কিং করার চেষ্টা করবেন না। আপনি সব সময় ইউজারদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করুন। আপনি নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে, আপনার কনটেন্ট টি কী ব্যবহারকারীর উপকারে আসবে? সার্চ ইঞ্জিন ছাড়া কী আপনার কনটেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ? চিন্তা করুন যে, আপনি কী কী করলে ওয়েবসাইটকে আরও অনন্য বা ইউনিক, তথ্যসমৃদ্ধ ও ব্যবহারবান্ধব করা যাবে। কী কী জিনিস করা যাবে না: অটোমেটিক জেনারেটেড কনটেন্ট তৈরি করা। লিংক স্কিম ব্যবহার বা লিংকের অপব্যবহার ...

এসইও শিখুন।। SEC... WHAT'S SEC..

কোন সার্চ রেজাল্টগুলো ‘অরগানিক’? ইতিমধ্যে বলা হয়েছে, অর্গানিক সার্চ রেজাল্টগুলো কোনো পেড বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নয় কেবল এসইও–এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে আসে। অর্গানিক রেজাল্টগুলো হলো SERPs-এ দেখানো ‘১০টি ব্লু লিংক’ এবং এর ওপরে, নিচে ও পাশের রেজাল্টগুলোতে অ্যাড লেবেল দেওয়া থাকে। যাতে একটি পেজে থাকা পেড ও অরগানিক রেজাল্ট সহজেই বোঝা যায়। বর্তমানে আমরা যে ধরনের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ দেখি, অতীতে এমন ছিল না। বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজকে বলা হয় SERPs এবং এখন অ্যাডভারটাইজিংয়ের পাশাপাশি অরগানিক রেজাল্ট অনেক বেশি সমৃদ্ধ। SERP-এ অরগানিক রেজাল্ট ফিচার যেমন: ফিচার স্নিপেট, অ্যান্সার বক্স, পিপল ‍অলসো আস্ক/সার্চ বক্স/সাজেশন, ইমেজ ক্যারোজেল, ভিডিও ক্যারোজেল, নিউজ ইত্যাদি। নতুন SERP ইউজারদের সার্চের ওপর ভিত্তি করে আরও নতুন নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। উদাহরণস্বরূপ: আপনি যদি সার্চ করেন ‘Dhaka Weather’ তাহলে আপনি দেখতে পাবেন কোনো লিংকের পরিবর্তে ঢাকার জলবায়ু পূর্বাভাসের একটি চিত্র। এবং আপনি যদি সার্চ করেন ‘Dhaka Pizza’ তখন দেখবেন কিছু লোকাল পিৎজার অবস্থান গুগল ম্যাপে, কিছু লিংক এবং ক্যারো...

এসইও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? SEO.. what's seo....

এসইও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? সহজভাবে বলতে গেলে, মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করা হলে সার্চ ইঞ্জিন কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং র‌্যাঙ্ক করে থাকে। বর্তমান প্রতিযোগিতার বিশ্বে এসইও ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সাধারণত এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কই করে না। *ইংরেজি শব্দ এসইও (SEO) এর সম্পূর্ণ রূপ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (search engine optimization) যা সার্চ ইঞ্জিনের কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়ম/পদ্ধতি বা মেথড। যে সকল নিয়মগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে দেখাতে পারবেন। এসইআরপি (SERPs) তে প্রথম দিকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে দেখানোই এসইও-এর মূল উদ্দেশ্য। *সার্চ ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে মূলত ইউজারদের অনুসন্ধানের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য আর এসইও (SEO) সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলে। এসইও এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সার্চ ইঞ্জিনে ইউজাররা কী তথ্য খুঁজছে, কী ধরনের সমস্যার...

এসইও । সার্চ ইঞ্জিন কি?, কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে? SEO..What is Search Engine..

‘এসইও শিখুন’ নামে ধারাবাহিকের আজ চতুর্থ পর্বে থাকছে সার্চ ইঞ্জিন কি?, কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে?, সার্চ ইঞ্জিন কি ক্রলিং করে?, সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্সিং কি? এবং সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কিং সম্পর্কে। এ বিষয়গুলো এসইও শেখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়গুলো জানলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে যাবতীয় ধারণা পাবেন। সার্চ ইঞ্জিন কী? সার্চ ইঞ্জিন হলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরদাতা মেশিন বা যন্ত্র যা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট খোঁজা, সেগুলোকে বোঝা, প্রাসঙ্গিকতা (রিলেভেন্সি) অনুসারে সাজানো। যখন কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোনো কিছু খোঁজ করেন (সার্চ) তখন তাঁর সেই সার্চ অনুযায়ী তা ফল বের করে দেখানো সার্চ ইঞ্জিনের কাজ। সার্চ ইঞ্জিনের সকল নিয়ম অনুসরণ করে আপনার কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম পাতায় থাকতে হবে। এটা নিশ্চিত করার জন্য এসইও-এর বিকল্প নেই। আপনার কনটেন্ট বা ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে না পায় তবে তা SERP-এ দেখানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজকে বলা হয় SERPs। কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে? সার্চ ইঞ্জিনের প্রধানত তিনটি ক...

Google Photos. How to use Google Photos. গুগল ফটোজ যেভাবে কাজে লাগাবেন

Image
গুগল ফটোজ যেভাবে কাজে লাগাবেন গুগল ফটোজগুগল ফটোজঅনলাইনে ছবি সংরক্ষণ ও ভাগাভাগির সবচেয়ে জনপ্রিয় সেবা হলো গুগল ফটোজ। সহজে ও বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় এটি। যত ইচ্ছা তত ছবি রাখা যায়। অ্যান্ড্রয়েড-চালিত স্মার্টফোন, ট্যাব, আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক বা উইন্ডোজ কম্পিউটার—যেকোনো যন্ত্রে ব্যবহার করা যায়। সব মিলিয়ে ২০১৫ সালে চালুর পর ব্যবহারকারীরা দ্রুত সেবাটি গ্রহণ করেছেন। গুগল ফটোজে ছবি রাখার আকার হিসেবে ‘হাই কোয়ালিটি’ নির্বাচন করলে ব্যাকআপের জন্য অসীম জায়গা (স্টোরেজ) মিলবে। এর মানে যত ইচ্ছা ছবি রাখতে পারবেন। তবে ছবির আকার ১৬ মেগাপিক্সেলের বেশি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেগুলোকে ১৬ মেগাপিক্সেলে সংকুচিত করে ফেলবে। ‘অরিজিনাল কোয়ালিটি’ অপশনটি নির্বাচন করলে কোনো সংকোচন ছাড়াই ছবি রাখা যাবে, তবে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের স্টোরেজ কোটা থেকে খরচ হতে থাকবে। গুগল অ্যাকাউন্টের স্টোরেজ কোটা ফুরিয়ে গেলে আর ছবি রাখতে পারবেন না। ফ্রি অ্যাকাউন্টের জন্য এই স্টোরেজ কোটা ১৫ গিগাবাইট। চাইলে অতিরিক্ত জায়গা কেনার সুযোগ আছে। চলুন দেখা যাক গুগল ফটোজে ছবি ব্যাকআপ করার পদ্ধতি। স্মার্টফোন বা ট্যাব থেকে * আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড-চ...